Home


জাতীয়  মানবাধিকার সোসাইটি : এক  নজর

প্রতিষ্ঠা                                     

২০০১, ডিসেম্বর ১০।

উদ্দেশ্য ও লক্ষ  

আন্তর্জাতিক  মানবাধিকার বিষয়ক ধ্যান ও ধারণার সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধগত মানবাধিকার বিষয়গুলোর সংযোগ সাধন তার পঠন-পাঠন ও পর্যালোচনা এবং আলোচনার দিকগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা।

বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, দর্শন, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং গ্রামবাংলার মধ্যে থাকা আত্মনিবেদিত মানবতার পথের পথিককে মূল্যায়নের পাদপীঠে উন্নতিকরণ। এ  প্রেক্ষাপটে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের সংবিধান পবিত্রতার  সঙ্গে লালন করা এবং মুক্তিযুদ্ধের বৃহৎপ্রেক্ষাপট চর্চা করা তার মূল্যবোধকে উচ্চকিত করা। কারণ মহান  মুক্তিযু্দ্ধ আমাদের চেতনার উজ্জ্বল মনীষার রৌদ্রশোভা। আমাদের শ্লোগান : মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত হোক মানুষের অধিকার।

কর্মসূচি                                     

বাংলাদেশের মননচর্চায় নিবিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দের সাহচর্যে নতুন মনন-মনীষার  উত্থানের লক্ষে সভা, সেমিনার, আড্ডা, আলোচনা এবং গ্রন্থ ও সংকলন প্রকাশ। এ জন্য রয়েছে গবেষণা ও সম্পাদনা অনুবিভাগ।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসহ বাঙলার সংগ্রাম ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের দিকগুলো নতুন আঙ্গিকে জ্ঞানের উজ্জ্বলতায় প্রতিষ্ঠা করা। এ বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরকে সনদ ও সম্মাননা এবং উৎসাহ প্রদান।

নিঃস্ব -নির্যাতিত, অবহেলিত এবং সমাজ-বঞ্চিতদের হাতের কাছে রাখা। তাদের বেদনার ক্লেদ আর ক্লেশকে পরিচর্যা করা। অতঃপর তাদের কর্মোদ্যোগী করে উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য কর্মী হিশেবে গড়া।

নির্যাতিত নারী বা ব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়ে প্রায় ক্ষেত্রেই বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান। যৌতুক বিরোধী এবং শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনার ধ্বনি নিয়ে পথচলা। এজন্য রয়েছে, আইনি সহয়তা প্রদান অনুবিভাগ।

নতুন প্রজন্মের বোধকে চর্চা করা, অনুধাবন এবং অনুসন্ধান করার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত আদর গ্রামার স্কুল। শিক্ষাবৃত্তি প্রদান। একইসঙ্গে দেশের কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে  বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে  সংবর্ধনায়  বর্ধিত করা।

কিশোর ও যুব শ্রেণির মূল্যবোধকে মহৎজীবনের   স্রোতধারার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য নিজস্ব কর্মীদের নিয়ে নাটক মঞ্চায়নসহ সাংস্কৃতিক আন্দোলন পরিচালনা। একবাক্যে আমরা নিজেরা নাটক লিখি, গবেষণা করি এবং সাহিত্য সাধনায় নত হই। একইসঙ্গে মাদক, ফরমালিন, সন্ত্রাসের মতো ভয়ঙ্কর এবং অন্ধকার দিকটির উম্মোচন করেন নাটকে এবং গীতি কবিতায় বিশিষ্ট সমাজচিন্তক  মু. নজরুল ইসলাম তামিজী।

মাদকের ভয়ঙ্কর থাবা আর সকল প্রকার রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী, ধর্মবিদ্বেষী এবং সকল অপশক্তির অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সারা দেশের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবদের সংযোগে গড়ে তোলা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গড়ার তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার অনুসৃত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।

আন্তর্জাতিক  মানবাধিকার এবং বিশ্ব জলবায়ু ও পরিবেশ সংরক্ষণকারী আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে সংযোগ ও সংযুক্তি রক্ষা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন আহমেদ।

সৌন্দর্য                                     

ভাষাসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত  মাননীয়  বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, নেদারল্যান্ডের হেগস্থ আন্তর্জাতিক আদলতের স্থায়ী  বিচারপতি আওলাদ আলী, ভাষাসৈনিক আব্দুল জলিল, বিচারপতি আলী আসগর খান, বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, কবি কাজী রোজী এমপি, অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সতীশচন্দ্র  রায় প্রমুখ।

ঋণ                                           ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন এবং মাননীয় বিচারপতি হাবিবুর রহমান খান উপদেষ্টার   স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে আমরা ঋণী এবং অগ্রমুখী।

কড়িউৎস                                 

সদস্যচাঁদা, অনুদান ও দান।

সাফল্য                                      

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে-সম্মানে স্মারক ডাকটিকিট ও মুদ্রা প্রকাশের প্রস্তাবনার সার্থকতা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের প্রস্তাবের পক্ষে সরকারের ত্বরিত সাড়া। সন্ত্রাস ও জঙ্গী দমনের প্রেক্ষাপটে দাঁড়ানো এবং রাষ্ট্র্রের সাফল্যের দিক প্রচার করা। এই আলো ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে, সবখানে …।

কান্না                                        

প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে এবং তার প্রবল থাবায় পথচলার অসহনীয় ক্লান্তির অনুতাপভরা বুকের কান্নাও অশেষ …

আকাশ দেখে গাই, ও আমার সোনার বাংলা …